বমি বন্ধ করার উপায়

#বমি বন্ধ করার উপায়: আসসালামু আলাইকুম। সবাই আশা করি ভালো আছেন। আজকে আমরা ওষুধ ছাড়া বমি বন্ধ করার উপায় সম্পর্কে জানব। বমি হওয়া বা বমি বমি ভাব খুবই সাধারণ একটা সমস্যা।

অনেকক্ষেত্রে দেখা যায় বমি হওয়াটা ভালো; কারণ বমি হলে আমাদের পেটের ভেতর বিষাক্ত কোনো কিছু থাকলে সেটা বের হয়ে চলে যায়। অনেক সময় দেখা যায় যে, পেটের ভিতর বিষাক্ত কিছু থাকলে সেটা বের হয়ে যায়, যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ।

[এই আর্টিকেলের সকল তথ্য এই ভিডিও থেকে নেয়া।]

কিন্তু কোনো সময় দেখা যায় বমি অতিরিক্ত হচ্ছে বা একটু থেকে বমি বমি ভাব হচ্ছে। এটা আমাদের শরীরের জন্য ভীষণ ক্ষতিকর। বিশেষ করে পাতলা পায়খানা বা ওষুধের জন্য আপনার বমি হতে পারে। অতিরিক্ত বমি হলে আমাদের শরীর থেকে পানি বের হয়ে যায় যার ফলে যার জন্য আমাদের ডিহাইড্রেশন হতে পারে বা পানিশূন্যতা হতে পারে যার ফলে আমাদের বড়ো কোনো সমস্যা হতে পারে।

বমি বন্ধ করার উপায়

আমরা যদি চাই ওষুধ না খেয়ে অনেক ভাবে আমাদের বমি বন্ধ করতে পারি। আজকে বমি বন্ধ করার উপায় গুলো সম্পর্কে বলব। যেসব কারণে বা যেসব জিনিসের জন্য আমাদের বমি হয় সেসব কারণগুলো থেকে আমরা দূরে থাকতে পারি। ওগুলো যদি আমরা বন্ধ করে দিই, তাহলে আমাদের বমি হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে।

এখন আমরা বমি বন্ধ করার উপায় কী কী সেগুলা সম্পর্কে জানব।

১. রিলাক্স থাকা

প্রথম উপায় রিলাক্সেশন টেকনিক এর মাধ্যমে আমরা চাইলে আমাদের বাহু টাকে বন্ধ করতে পারি। যদি দেখেন মাইগ্রেনের জন্য বা হঠাৎ করে আপনার গরম লাগতেছে এসব কারণে সময় বমি ভাব এর ক্ষেত্রে আপনি যে কাজটা করবেন। ভেজা কাপড়কে আপনি আপনার কপালে দিয়ে রাখবেন কিংবা আপনার ঘাড়ে দিয়ে শুয়ে থাকবেন।

এতে করে আপনার রিলিক্স লাগবে এবং অনেক ভালো লাগবে। তবে কখনো বরফ ইউজ করবেন না। আপনি শুধু একটা ভেজা কাপড়কে পানিতে ডুবে সেটা উঠানোর পর মাথার ওপর দিয়ে রাখবেন বা ঘাড়ে দিবেন।

২. ড্রেসিং এক্সারসাইজ

দ্বিতীয় টেকনিকটা হচ্ছে আপনাকে ড্রেসিং এক্সেসাইজ করতে হবে বমি বন্ধ করার জন্য। ড্রেসিং এক্সারসাইজ অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ বমি বন্ধ করার জন্য। এটি খুব সহজ একটা এক্সেরসাইজ।

আপনি নাক দিয়ে শ্বাস নেবেন, ভেতরে কিছুক্ষণ ধরে রাখার পর সেটা আপনি মুখ দিয়ে ছাড়বেন। মানে আমরা নাক দিয়ে বাতাসটাকে নেবো এবং মুহূর্তের ছাড়ব। এরকম আমরা কিছুক্ষণ করতে থাকব এবং নিশ্বাস থাকে কিছুক্ষণ ভেতর ধরে রাখতে হবে। এটা করে আপনি বমির ক্ষেত্রে অনেক ভালো একটা ফল লাভ করবেন।

৩. খোলা বাতাসে হাঁটা

এবারের উপায় টা হচ্ছে যদি দেখা যায় বমি হচ্ছে তাহলে খোলা বাতাসে হাঁটার চেষ্টা করুন। আপনি হাঁটতে পারলে সে ক্ষেত্রে আমি বলব যে আপনি খোলা বাতাসে একটু হাঁটেন। ওইখানে আপনি সিম্পল কিছু এক্সেসাইজ করতে পারেন।

যেটা আপনার জন্য খুবই ভালো হবে। অনেক সময় দেখা যায় যে যখন বমি বমি ভাব লাগে তখন গায়ে, চোখের পাপড়িতে কোনো জায়গায় মুখে বা হাতে টাচ করলে বমি বমি ভাব টা চলে যাচ্ছে।

আপনার পাশে যদি কেউ থাকে তাকে বলবেন একটু হাত টা মেসেজ করে দিতে বা মুখটা একটু মুছে দিতে তাতে হয়তো আপনার বমি বমি ভাব চলে যেতে পারে। অনেক সময় দেখা যায় যে হাতের জয়ন্ত ধরে একটু মেসেজ বা চাপ দিয়ে ধরার ফলে আপনার বমি বমি ভাব টা চলে যেতে পারে।

কখন কার জন্য কোন স্টেপটা উপকারী হতে পারে তা বলা যায় না সব ট্রাই করতে পারেন। বাড়িতে আপনার জন্য এসব খুবই উপকারী হতে পারে।

অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায় যে খাওয়া-দাওয়ার পর বমি হতে পারে। কী খেলে বমি হবে সেটা বিষয়ে কথা বলে, কী খেলে বমি হবে এটা নিয়ে কিন্তু আমরা খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে থাকে।

বমি হলে পানিটা একটু কম খাবেন। পানি বেশি খাওয়ার ফলে আপনার বমি বাড়তে পারে। বমি বা পাতলা পায়খানা বেশি হলে সে ক্ষেত্রে আপনি স্যালাইন খেতে পারেন।

এ সময় একটু- কপি [পাতাকপি / ফুলকপি] যে ধরনের বলেন, এসব সবজি খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এগুলা খেলে বমি ভাবটা বাড়তে পারে।

এসব নিয়ম মানলে আপনার বমি বমি ভাব টা অনেকটাই কমে যাবে এবং ওষুধ না খেয়ে আমরা বমি হওয়া কন্ট্রোল করতে পারব।

**********

প্রিয় পাঠক, এই ছিল কিছু বমি বন্ধ করার উপায়! এ ধরনের আরও পোস্ট পেতে আমাদের সাইটে যুক্ত থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here