ঘুমের সমস্যা দূর করার উপায়!

#ঘুমের সমস্যা দূর করার উপায়: আসসালামু আলাইকুম। সবাইকে সালাম দিয়ে আজকের পোস্ট শুরু করছি। আজকে আপনাদের সাথে কথা বলব ঘুমের সমস্যা দূর করার উপায় নিয়ে। এইটা অনেক বড়ো একটা সমস্যা। আজকাল অনেক মানুষ এর এই সমস্যাটা অনেক বেশি করে হচ্ছে।

ঘুমের সমস্যাটা কোথায়, তা যদি না জেনেই ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন, তাহলে ব্যাপারটা অনেকটা জ্বর আসছে প্যারাসিটেমল খেয়ে বসে থাকলাম মতো। তাহলে কিন্তু কোথায় সমস্যা আছে, ইনফেকশন আছে তা জানা যায় না এবং তা যদি ট্রিটমেন্ট না করি তাহলে কিন্তু জ্বরটা সারে না।

সে রকম ভাবেই আপনার ঘুমের সমস্যা হচ্ছে বলে ঘুমের ওষুধ খাওয়া শুরু করেন, তাহলে এক সময় কিন্তু আপনি এইটার ওপর নির্ভর হয়ে পরবেন। পরে ঘুমের ওষুধ ছাড়া ঘুমই আসবে না। পরে কিন্তু আস্তে আস্তে ডোজ বাড়তে থাকবে এবং একটা সময় এইটা অ্যাডিকশন এর পর্যায় চলে যাবে। যেটাকে আমরা মাদকাসক্তি এর গ্রুপে ফেলে দেবো। তাহলে এই জিনিসটা থেকে কীভাবে মুক্তি পাওয়া যায় বা কীভাবে বন্ধ করা যায়?

সেটা হলো ঘুমের সমস্যাটা আসলে কী বা কেন হচ্ছে তা আগে জানতে হবে। যেমন আমাদের জ্বর হলে প্যারাসিটেমল না খেয়ে ইনফেকশনটা কোথায় তা জেনে দূর করব, তেমনি ঘুম না আসার কারণের জন্য চিকিৎসা করতে হবে। চিকিৎসক এর পরামর্শ এ ঘুমের ওষুধ খেতে পারেন, কিন্তু পরে এইটা আস্তে আস্তে বন্ধ করতে হবে।

[এই পোস্টটির তথ্য নেওয়া হয়েছে এই ভিডিও থেকে। আপনি চাইলে দেখতে পারেন।

ঘুমের সমস্যা দূর করার উপায়

ঘুমের ওষুধ সাধারণত ৬ সপ্তাহের পর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত। কারণ এইটা অনেক সময় সমস্যা হয়ে দাঁড়াতে পারে। এখানে ঘুমের সমস্যাটা কেন হয়? সাধাণত দেখা যায় যে, স্লিপহাইজিংটা হয়তো ঠিক নেই।

সঠিক নিয়মে যদি না ঘুমায়, ঘুমের একটা টাইম থাকে সেই টাইমে যদি না ঘুমায় যেমন অনেক রাত পর্যন্ত টিভি দেখা বা ল্যাপটপ ব্যবহার করা, স্মার্ট ফোন ব্যবহার করা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা এই বিষয় গুলো কিন্তু ঘুমের সমস্যা করে এবং যতটুকু ঘুম আসে তাও কিন্তু চলে যায়।

আবার এক্সসারসাইজ যদি না থাকে বা শরীরটা যদি অপরিচ্ছন্ন থাকে বা ঘুমের বিছানাটা যদি uncomfortable হয়, ঘুমাতে অস্বস্থিকর লাগলে, একটু নিশ্চুপ জায়গা না হয়; তাহলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। ঘুমের সমস্যাটা কেন হচ্ছে তা আগে নিশ্চিত করতে হবে।

যদি এই সমস্যা গুলো ঠিক থাকার পরেও ঘুম আসে না। সেক্ষেত্রে রোগীকে প্রশ্ন করা হয় যে, ঘুমের প্রথম থেকে সমস্যা বা ঘুমটা কী গভীর হয় কি হয় না। ঘুমের মধ্যে কি কোনো দুঃস্বপ্ন আসে কিনা। অথবা চমকে ওঠে কি না ঘুমের মধ্যে, কোনো শব্দ হলে বা কেউ ডাক দিলে বা পাশ দিয়ে কেউ হেঁটে গেলে চট করে ঘুম ভেঙে যায় কি না?

ঘুমে ইনেসিয়েশন এ প্রবলেম থাকুক বা অল্প আছে তাও সকাল সকাল ঘুম ভেঙে যাচ্ছে আগে। যে সময় ঘুম ভাঙত এখন তার থেকে ১-২ ঘন্টা আগেই ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। এবং ঘুম ভাঙার পর অনেক মন খারাপ হচ্ছে বা অনেক নেগেটিভ চিন্তা মাথায় আসছে; আত্মহত্যার চিন্তাও আসছে এই রকম লক্ষণও থাকতে পারে।

ঘুমের প্রয়োজনীয়তা কমে যেতে পারে। কোনো কোনো রোগী মনে করে আমি দিনে ২৪ ঘন্টা থেকে এক ঘণ্টা ঘুমাচ্ছি; এইটাই এনাফ! আমার আর ঘুমের দরকার নেই! সে ক্ষেত্রে সমস্যাটা থাকে পরিবারের সদস্যদের।

তারা কমপ্লেইন নিয়ে আসে যে ঘুম হচ্ছে না। বাসার সবাইকে জ্বালাতন করছে। সেক্ষেত্রে ঘুমের প্যার্টান চেন্জ হয়ে যেতে পারে। দিনের বেলায় ঘুমাচ্ছে, রাতে ঘুমাচ্ছে না এই রকম হতে পারে। ঘুমের সমস্যার সাথে অনান্য লক্ষণ থাকতে পারে! যেমন- মাদকাসক্তির লক্ষণ, যেকোনো সমস্যা থাকতে পারে। ঘুমের প্যার্টান দেখে বুঝতে পারেন বা তার ভেতরের ক্রাইটেরিয়াগুলো ফুলফিল করে।

তাহলে তা ভেতরে সমস্যা গুলো থেকে উদ্বেগ বা এঞ্জাইটি বা ডিপ্রেশন এর জন্য হয়। অনেক সময় এটিসির জন্যও এই সমস্যা হয়ে থাকে। সে তার সব কাজ জায়গা মতো গুছিয়ে রেখে তারপর ঘুমাতে যায় বা তার আগে ঘুমাতে গেল তার কাজ বাকি আছে সেক্ষেত্রে তার ঘুম আসবে না। সেটাও কারণ হতে পারে। ডাক্তার এর পরামর্শ এ সেক্ষেত্রে নিলে ঘুম টা ঠিক হয়ে আসতে পারে। যেমন সাইকোটিক এর কোনো পেশেন্ট যাদের হ্যালোসিনেশন থাকে। যেখানে কোনো উদ্দীপক নেই, তাও সে অনুভব করতে পারছে যেমন শব্দ নেই শব্দ পাচ্ছে, গন্ধ নেইই তাও গন্ধ পাচ্ছে।

সে ক্ষেত্রে কিন্তু তার ঘরেও অনেক সময় ঘুম হয় না। ঘুম আসলে আমার কেউ ক্ষতি করতে পারে বা শত্রু আস্তে পারে বা আমাকে মেরে ফেলতে পারে।

কেউ আমাকে নিয়ে যেতে পারে অন্য জায়গায় বিভিন্ন কারণে ঘুমের সমস্যা হতে পারে। তাহলে ঘুম কেন হয় না তা জানা অনেক গুরুন্তপূর্ণ।

সেই রোগ টাকে আপনাদের ধরতে হবে। সেই রোগের লক্ষণ হিসেবে এই জিনিস্টা এসেছে সেই অনুযায়ী যদি চিকিৎসা করি তাহলে রোগটা অটোমেটিক ঠিক হয়ে আসবে। ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করলে ডাক্তার যদি ঘুমের ওষুধ দেয় তাহলে সেটা ৬ সপ্তাহের মধ্যে খেতে হবে।

অবশ্য ঘুমের সমস্যার ক্ষেত্রে ডাক্তার এর পরামর্শ নিন। এবং সেই অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন। কী কারণে হচ্ছে বা কেন হচ্ছে তা নিশ্চিত করে ডাক্তার এর পরামর্শ নিলে রোগ ঠিক হয়ে যাবে।

প্রিয় পাঠক, এই ছিল – ঘুমের সমস্যা দূর করার উপায়। আরও নতুন পোস্ট পড়তে চাইলে আমাদের সাইটে চোখ রাখুন।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here